Showing posts with label SOFTWARE. Show all posts
Showing posts with label SOFTWARE. Show all posts

Monday, September 14, 2015

যে সকল মহান ব্যক্তিদের কারনে আমরা পেয়েছি আজকের এই ফটোশপ এবং ফটোশপ এর ইতিহাস

গ্রাফিক ডিজাইনারগন মুলত তিনটি প্রোগ্রামেই তাদের ডিজাইন কাজটি করে থাকেন। তার মধ্যে এডবি ফটোশপ হলো ইমেজ এডিটিং এর জন্য পৃথিবীর সেরা প্রোগ্রাম। অন্যদিকে এডবি ইলাষ্ট্রেটর ভেক্টর ভিত্তিক ডিজাইনের জন্য, এডবি ইনডিজাইন প্রিন্টিং ও প্রেসের প্রজেক্টগুলোর কাজে খুব বেশি পরিমানে ব্যবহৃত হয়।
আজ শুধুই এডবি ফটোশপের আলোচনা।
ফটোশপকে আমরা সবাই অনেক ভালোবাসি কারন পেশাদার ডিজাইনার থেকে শুরু করে ফটোগ্রাফার এমনকি শখের বসে যারা ফটো এডিটিং করেন তারাও ফটোশপ দিয়েই তাদের কাজ করেন। ফটোশপের ব্যবহার অনেক সহজ, টুলস গুলো সুন্দরভাবে সাজানো এমনকি একটি ডিজাইনকে চমকপ্রদ করে তুলতে যা যা করা লাগে প্রায় সবকিছুই ফটোশপে রয়েছে। তাই ফটোশপ ডিজাইনার, ফটোগ্রাফারদের কাছে এত জনপ্রিয়।
কিন্তু বলতে কিছুটা খারাপ লাগলেও এটাই সত্য যে আমরা অনেকেই ফটোশপের উৎপত্তি থেকে শুরু করে আজকের অবস্থানে আসার ইতিহাস, কোন কোন মহান ব্যাক্তিদের পরিশ্রমের ফসল হিসেবে ফটোশপ পেয়েছি তা জানিনা। আর এই অজানা বিষয়কে জানার জন্য আজকের লেখা। আলোচনার বিষয়টিকে আমরা ঘুরিয়ে এভাবেও বলতে পারি
“যে সকল মহান ব্যক্তিদের কারনে ফটোশপ পেয়েছি আমরা তাদের সম্মন্ধে বিস্তারিত জানব আমরা আজই”

কারা সেই মহান ব্যক্তি আসুন জেনে নেইঃ

Thomas knoll পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। জন্ম আমেরিকার Michigan, গ্রেজুয়েশান শেষ করেন University of Michigan  থেকে। তার ভাই Jhon knoll যিনি পেশায় Visual effects supervisor. তাদের বাবা Glen knoll ছিলেন University of Michigan  এর একজন প্রফেসর।
সময়টা ১৯৮৭ সাল। তখন Thomas knoll একজন Phd student.  তিনি Macintosh Plus  এর জন্য একটি গ্রাফিক এপ্লিকেশন ডেভলপ করেন। এই এপ্লিকেশনটি এক কালারের পর্দায় সাদা-কালো ছবি শো করতে ব্যবহার হত। Knoll  এটির নাম দিয়েছিলেন Display. মূলত এই display এপ্লিকেশনটিকে Father of photoshop বলা যায়্।
Thomas knoll এর ভাই Jhon knoll প্রোগ্রামটি দেখলেন। Jhon knoll ফটোর প্রতি অতিমাত্রায় আগ্রহী ছিলেন। Jhon  তার ভাই Tom কে একটি ফটো এডিটিং প্রোগ্রাম বানানোর জন্য রাজি করালেন। তখন Thomas knoll তার চলমান শিক্ষা জীবন থেকে ৬ মাসের বিরতি নিয়ে তৈরি করেন ফটো এডিটিং প্রোগ্রাম যেটির নাম দিতে চেয়েছিলেন Image pro. কিন্তু কপিরাইট সংক্রান্ত জটিলতার কারনে সে নামের বদলে আমরা পেয়ে যাই ফটোশপের প্রথম ভার্সন ফটোশপ ০.৭। দুই ভাইকে একটু দেখে নেই-
Thomas Knoll
Jhon Knoll

ফটোশপের শুরু দিকের ভার্সনগুলোঃ

ফটোশপ ১.০ >>
সেপ্টেম্বর ১৯৮৯ এডবি কর্পরেশন ফটোশপ প্রোগ্রামটি কিনে নেওয়ার পর এর ফিচার এ ব্যাপক পরিবর্তন আসে। ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৯০ ডিজিটাল কালার এডিটিং ও ইমেজ রিটাচিং সহ ফটোশপ ১.০ ভার্সন রিলিজ হয়। SciTex এর মত উচ্চমানের ফ্ল্যাটফরমে ব্যবহারের জন্য এটি চালু হয় এবং সাধারন মানের একটি Photo retouching এর জন্য ৩০০ ডলার ব্যয় করতে হত তখন।
ফটোশপ ২.০ >>
জুন ১, ১৯৯০ আর নতুন ফিচার যুক্ত করে ফটোশপ ভার্সন ২.০ রিলিজ করে। এই ভার্সনে যুক্ত করা হয় adding Paths, CMYK color and the Pen tool এর মত গুরুত্বপূর্ন ফিচারগুলো।
১৯৯০ সালের নভেম্বর মাসে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চালানোর উপযোগী করে ফটোশপ ২.৫ রিলিজ করা হয়। এই ভার্সনেই ফটোশপে প্যালেট যুক্ত করা হয়।
১৯৯৪ সালে ফটোশপ ৩.০ রিলিজ হয়। এই ভার্সনে ফটোশপের লেয়ার প্যানেল যুক্ত করা হয়। এই লেয়ার যুক্ত হওয়ার ফলে ডিজাইনারদের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। অনেক জটিল বিষয় সহজ হয়ে যায়। আসলে সবই সম্ভব হয়েছে Thomas Knoll এর জন্য।
ফটোশপ ৪.০ >>
প্রায় দুই বছর পর ফটোশপের পরবর্তী ভার্সন ফটোশপ ৪.০ রিলিজ হয়। এই ভার্সনে যুক্ত করা হয় Adjustment layer ও  macro ফিচারদুটি। এছাড়াও ফটোশপের user interface  যুক্ত করা হয় এই ভার্সনে। একটু ভেবে দেখুন ডেভেলপারদের অক্লান্ত পরিশ্রম না থাকলে এ্কটি ইমেজে ওয়াটারমার্ক দিতে আমাদেরকে কতইনা কষ্ট করতে হত আজও।
ফটোশপ ৫.০ >>
১ মে ১৯৯৮ ফটোশপের ভার্সন ৫.০ রিলিজ করা হয়। Editing type, Undo command, History panel, Magnetic lasso tool প্রভৃতি ফিচার চালু করা হয় এই ভার্সনে। ইমেজ এডিটিং এ কিছু বিষয় কত সহজ হয়ে গিয়েছে এই ভার্সনটি রিলিজ হওয়ার পর। এরপর মাত্র ১ বছর পর ফটোশপ ৫.৫ রিলিজ করা হয়। এই ভার্সনে Save for web  ফিচারটি যুক্ত করা হয়। আর এর সাথে সাথে PNG ফরমেট এ ইমেজ এক্সপোর্ট করার ব্যবস্থাও পেয়ে যায়।
ফটোশপ ৬.০ >>
বিংশ শতাব্দীর একেবারে শেষপ্রান্তে ফটোশপ ৬.০ রিলিজ হয়। ভেক্টর শেপ, টাইপ টুল, ব্লেনডিং অপশান প্রভৃতি ফিচার যুক্ত করা হয় এই ভার্সনে। এই ভার্সনে টাইপ টুল হয়েছে আরও সহজ। চোখ ধাধাঁনো এফেক্ট দেওয়ার জন্য ব্লেনডিং মোড এই ভার্সনেই পরিপূর্নতা পায়।
ফটোশপ ৭.০ >>
ফটোশপ ৬.০ রিলিজ হওয়ার ঠিক ২ বছর পর এ যাবত কালের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ভার্সন ফটোশপ ৭.০ রিলিজ হয়। খুব সহজে ফাইল ও ফোল্ডার ব্রাউজ করার জন্য ফাইল ব্রাউজার, ব্রাশ ও প্যাচ টুল যুক্ত হয় এই ভার্সনেই। ফটোশপের পূর্ন রুপ বলতে আমরা এই ভার্সনকেই বুঝি। আজও অনেক বড় বড় বিখ্যাত ডিজাইনগন ফটোশপ ৭.০ তে কাজ করেন।
ফটোশপ ‍ক্রিয়েটিভ স্টুডিও (সিএস ৮.০) >>
যেহেতু ফটোশপের ডেভলপমেন্ট একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে চলছে। ডেভেলপারগন অক্লান্ত পরিশ্রম করছে নিত্যনতুন ফিচার যোগ করার কাজে। ২০০৩ সালে ডিজাইনারদের প্রয়োজনীয় সবকিছু, গ্রাফিক ডিজাইনে লে-আউট ফিচার, ফটোগ্রাফির সবকিছু যুক্ত করে ফটোশপ রিলিজ করে ফটোশপ ৮.০ (সিএস)। Script, language, grouping of layer  প্রভৃতি ফিচার যুক্ত করা হয় এতে। যা কিনা এই প্রোগ্রামটির অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যায়।
ফটোশপ সিএস ২ >>
২০০৫ সালে ফটোশপ সিএস ২ ভার্সন রিলিজ হয়। Red-eye removal tool, Vanishing point tool, Smart object এর মত ফিচার নিয়ে আসে এই ভার্সনে যার সাহায্যে ফটোশপের এডিটিং হয়ে উঠে কোন ধরনের Quality লস করা ছাড়াই। সত্যিই ধন্যবাদ দিতে হয় ডেভেলপার টিমের প্রত্যেকটি সদস্যকে।
ফটোশপ সিএস ৩.০ >>
২০০৭ সালে ফটোশপ সিএস ৩.০ রিলিজ হওয়ার পর এই সফটাও্য়্যারে আমরা বৈপ্লবিক পরিবর্ফতন দেখতে পাই। টূলস এ ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এর নেভিগেশান প্রক্রিয়া ফটোশপে কাজ করাকে আর দ্রুততর করে তোলে। ক্যামেরা র ও কুইক সিলেকশান টুলের মত চমতকার বিষয়গুলো যুক্ত হয় এই ভার্সনে।
ফটোশপ সিএস ৪ >>
২০০৮ সালে ফটোশপের নতুন ভার্সন সিএস ৪ আসে। Panning, Zooming, Masking, Adjustment panel ফিচারগুলোকে আধুনিক করে ডিজাইনার কাজকে আরও দ্রুতগতির ও আর চমকপ্রদ করার বিভিন্ন কমান্ড আসে এই ভার্সনে।
ফটোশপ সিএস ৫ >>
২০১০ সালে ফটোশপ সিএস ৫ রিলিজ হয়। এই ভার্সনে যুক্ত হয় Puppet Warp Tool, Bristle tips, Mixer Brush and Automatic Lens correction প্রভৃতি ফিচারগুলো। Masking ফিচারটিকে আরও আধুনিক করা হয় এই ভার্সনে।
ফটোশপ সিএস ৬ >>
মে ৭, ২০১২ বহুল প্রতিক্ষিত ফটোশপ সিএস ৬ রিলিজ হয়। এই ভার্সনে সম্পূর্ন নতুন একটি ইউজার ইন্টারফেস আমরা পেলাম। যাতে নিজেদের সুবিধা মত কালার এডজাস্ট করা সম্ভব। Auto saving, patch tool, move tool, blur gallery,vector shape with dash and dotted stroke প্রভৃতি নতুনভাবে সংযোজন করা হয়েছে। অর্থাৎ ফটোশপকে পরিপূর্ন করার যা প্রয়োজন সবই করা হয়েছে এই ভার্সনে। ভিডিও, এনিমেশন তৈরি করা অনেক সহজ হয়েছে এই ভার্সন আসার পর।
ফটোশপ Creative Cloud (সিসি) >>
ফটোশপ সিএস ৬ এর মজা পুরোপুরি নিতে পারলামনা। ঝড়ের বেগে রিলিজ হয়ে গেল ফটোশপের একেবারে লেটেস্ট ভার্সন Photoshop creative cloud (CC). এটি মূলত আসে সফটওয়্যার পাইরেসি কমানোর লক্ষ্যে যাতে করে এডবি কোম্পানি তাদের খরছটা কমাতে পারে। যে কারনে তারা ব্যবহারকারীদের জন্য কিছু অর্থ এর বিনিময়ে এটি এডবি থেকে ব্যবহার করার সুযোগ/সেবাটি রেখেছে।
Smart sharpen ও Camera sharp reduction এর মত অবিস্বাশ্য কিছু ফিচার যোগ করা হয়েছে এই ভার্সনে।
উপরের আলোচনা থেকে আমরা যদি একটু পিছন ফিরে তাকাই তাহলে দেখব Thomas Knoll ও Jhon Knoll ভাইদ্বয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় Display দিয়ে যা শুরু হয়েছিল তার আধুনিক সংস্করন হলো বর্তমান ফটোশপ সিসি। বর্তমান ভার্সনটি দিয়েই গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইনের প্রয়োজনীয় কাজ, ভিডিও এডিটিং, সীমিত এনিমেশন প্রভৃতি খুব সহজেই করা সম্ভব। এডবি কোম্পানির ডেভেলপার গন যে ভ্রত নিয়ে  সামনে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আমরা ভবিষ্যতে ফটোশপকে অন্য ভুমিকায় আর অত্যাধুনিক চেহারায় দেখলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবেনা। আমরা সবাই সে অপেক্ষায় থাকি এবং বর্তমান পর্যায়ে যতটুকু পেয়েছি তার সুধা পান করি।

বি দ্রঃ পূর্বে এখানে প্রকাশিত

DirectX Software কি ?

বর্তমান HD অর্থ High Definition ভিডিও সর্বত্র বিরাজমান .এই High Definition Video Song চালাতে গেলে আপনার কম্পিউটারে DirectX Software থাকা দরকার.
না থাকলে Video Play করলে কম্পিউটারে হ্যাঙ অথবা Slow হতে পারে. নতুন কোন Soft যেমন Media Player Classic – Home Cinema .ইন্সটল করলে দেখবেন Message
দেখায় ইন্সটল DirectX Update ভারসন এবং আরো অনেক কাজে লাগে. এই DirectX…যারা ভিডিও এডিট করেন তাদের তো লাগেই…..তাই এখনি আপনার Computer এ ইন্সটল করুন.তাই ডাউনলোড করতে এখানে Click করুন   Download New Version Free…. বি: দ্র: একবার ডাউনলোড করলে সব কম্পিউটারে ব্যাবহার করা যায়………….

আপনার ব্যক্তিগত ব্লগ এর পোস্ট গুলো দিন Windows Live Writer দিয়ে আর পোস্ট এ যুক্ত করুন নতুন কিছু !!!!!!!!!

প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে অসংখ্য নতুন নতুন ব্লগ বা ব্লগার। কেউ তৈরি করছে ব্লগস্পট ব্লগ আবার কেউ তৈরি করছে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ। কিন্তু আমার মনে হয়, অধিকাংশ ব্লগারই তুলনামূলকভাবে ব্লগস্পটকেই বেছে নেয় ব্লগ তৈরি করতে। আমার বেলায়ও কিন্তু তার ব্যতিক্রম হয়নি। কারণ ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে আমার তেমন জানা-শুনা নেই। আর ব্লগস্পট সম্পর্কে অল্প যা জেনেছি বা শিখেছি তাও কিন্তু‍ টেকটিউনস থেকে। ইচ্ছা হল, আমিও একটি ব্লগ তৈরি করি। আমি আমার ব্লগে ব্লগার.কম এর ডিফল্ট পোস্ট এডিটর দিয়েই লিখতাম।  কিন্তু সমস্যা হল
আপনি ব্লগে ডিফল্ট পোস্ট এডিটর  দিয়ে অনেক সুবিধা পাবেন না । আর এ থেকেই Windows Live Writer এর সাথে আমার পরিচয় । আপনি নিজেও অবাক হবেন Windows Live Writer এর বৈশিষ্ট ও সুবিধাগুলো ব্যবহার করে।

Windows Live Writer এর সেসব ফিচার যা হয়তো আপনি কোথাও খুঁজে পাবেন না

  • এর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগ পোস্টে Emoticons যুক্ত করে ভিজিটরদের কাছে আপনার আবেগ প্রকাশ করতে পারবেন। যেমন, আমি এই     কান্নার ইমোশনটি গতকাল আমার একটি পোস্টের শেষে ব্যবহার করেছি। কারণ, ভিজিটররা এসেই পোস্ট পড়ে চলে যায়। কোন মন্তব্য করে না। খুবই একা একা লাগে নিজেকে। তাই .....   
  • পোস্টের ফন্ট সাইজকে আপনার ইচ্ছামত বড় - ছোট করতে পারবেন।
  • আমি ব্লগার.কম এর পোস্ট এডিটরে খুঁজে পেয়েছি মাত্র ৭টি ফন্ট। আর আপনি Windows Live Writer এ প্রায় সব ফন্ট ই খুঁজে পাবেন ।
  • আপনি পোস্টে ইনসার্টকৃত ছবিটিকে ইচ্ছামত পরিবর্তন করতে পারবেন ছবির সাইজ পরিবর্তন করে, ছবিটিতে বিভিন্ন ইফেক্টস দিয়ে, Cropping করে।
  • আপনি প্রত্যেকটি ইনসার্টকৃত ছবিতে স্বয়ক্রিয়ভাবে Watermark যুক্ত করতে পারবেন। যেমন, আমি Watermark হিসেবে আমার ব্লগের এড্রেসটি শুধুমাত্র একবারই সেট করে দিয়েছি, এরপর থেকেই যখনই আমি কোন ছবি ইনসার্ট করি তখন ছবিটির নিচে আমার ব্লগ এড্রেসটি খুবই সুন্দরভাবে ভেসে উঠে।
  • আপনি এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ পোস্টে Table যুক্ত করতে পারবেন।
  • এর মাধ্যমে আপনি অফলাইনে পোস্ট লিখে পরবর্তীতে পাবলিশ করার জন্য Save ও করে রাখতে পারেন।
  • আর যে সুবিধাটি আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভাল লেগেছে : আপনি বিভিন্ন প্লাগ-ইনস ব্যবহার করে Windows Live Writer এ নিত্য নতুন অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করতে পারেন। আর এইখানে ক্লিক করলেই আপনার পছন্দনীয় অসংখ্য Plug-in খুঁজে পাবেন। যা ইনস্টল করে Windows Live Writer রিস্টার্ট দিলেই ব্যাস।
  • অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ফিচারগুলোকেই আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। এছাড়াও অসংখ্য ফিচার আপনি খুঁজে পাবেন যা হয়তো আমি খুঁজে পাইনি।
Windows Live Writer মাইক্রোসফট এর একটি ফ্রি সফটওয়ার। আর জানেনই তো, মাইক্রোসফট এর ফ্রি সফটওয়ার মানে Online Installer। যা অনলাইনের সাহায্যে ইনস্টল হয়ে থাকে। তারপরও ধন্যবাদ মাইক্রোসফটকে এ ধরণের একটি সফটওয়ারের জন্য যদিও বা Online Installer হয়। ডাউনলোড করুন এখান থেকে  http://explore.live.com/windows-live-writer

Offline Installer এর ডাউনলোড লিঙ্ক হলঃ  http://g.live.com/1rewlive4-all/en/wlsetup-all.exe

২০০ MB এই Offline Installer টি অনেকগুলো সফটওয়ারের সমষ্টি। অর্থাৎ Windows Live Essentials এর ৭ টি সফটওয়ার এর Offline Version পাবেন । আর Windows Live Essentials এর সফটওয়ারগুলো হল ১.Messenger ২.Mail ৩.Photo Gallery ৪.Movie Maker ৫.Writer ৬.Sync ৭.Family Safety
আপনার যদি ২০০ mb ডাউনলোড করার মত Bandwidth না থাকে সেক্ষেত্রে Windows Live Writer টি Online এ ইনস্টল করতে পারেন।


আপনার ছবিকে এক ক্লিকে TXT এ রুপান্তর করুন মাত্র 136 কেবির একটি পোর্টেবল সফটওয়ারদিয়ে।

আপনার ছবিকে এক ক্লিকে TXT এ রুপান্তর করুন মাত্র 136 কেবির একটি পোর্টেবল সফটওয়ারদিয়ে।
1. সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন নিচে দেয়া লিংক থেকে
2. সফটওয়্যারটি ওপেন করে Import image এ ক্লিক করে ছবি লোড করুন.
1

3. এখানে আপনার প্রয়োজনীয় সকল টুরবার রয়েছে যথা ইচ্ছা পরিবর্ত করতেপারবেন।
2
4. ‍এডিট কম্প্লিট হলে আপনি ছবি সেভ করে নিন ‍সেভ বাটনে ক্লিক করে।
* কোন ফরমেটে সেভ করবেন যেমন Black and white, Txt, color , Image  সেই ফরমেটের নামটির  সিলেক্ট করুন.

35. সর্বশেষ কোথায় সেভ করবেন সেটি সিলেক্ট করে সেভ করুন।

Tuesday, December 3, 2013

Windows 7 কি ভাবে Setup দিবেন ?

আজকের টিউন সাজিয়েছি Windows 7 কিভাবে Install করতে হবে সেটি নিয়ে। একেবারে নতুনদের জন্য উপযোগী করে পোস্ট টি তৈরী করা হয়েছে ।এবার নিজেই নিজের পিসির উইন্ডোজ ফরমেট করে নতুন করে দিয়ে ফেলুন Windows 7 ।
Windows-7 setup করার জন্য আপনার Computer/Laptop এ কমপক্ষে যা থাকা প্রয়োজনঃ

  1. 1 GHz Processor
  2. 512MB RAM
  3. 20GB in C Drive
আছে তো আপনার Computer এ এই তিন জিনিস? তাহলে শুরু করুন Windows-7 Setup.
সতর্কতাঃ Windows Setup এর আগে C Drive/Desktop/Documents এর সকল গুরুত্বপূর্ণ File অন্য Drive এ সরিয়ে রাখুন। কারন Windows Setup এর কারনে ঐ সব জায়গার সকল File চিরতরে হারিয়ে যাবে।
Step-1: BIOS (BASIC INPUT OUTPUT SYSTEM) Setup
Computer এর Power সুইচ টিপ দেওয়ার পর Display আসার সাথে সাথে F2/Del Key চেপে BIOS এ প্রবেশ করতে হবে।
এখন Boot Option এ গিয়ে 1st Boot : CD/DVD আর 2nd Boot : HD/Hard Disk করে দিতে হবে। F10 চেপে ও Y(Yes) চাপলে BIOS Save হবে এবং Computer restart হবে।
নিচের চিত্র দেখুনঃ

























প্রোগ্রামিং এর জন্য নিয়ে নিন Microsoft Visual Studio 6 ( SIZE : 246 MB ) এবং কিভাবে SETUP দিবেন দেখেনিন


আপনারা অনেকেই হয়তো C এবং C+ প্রোগ্রামিং এর জন্য অনেক রকমের সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন | অনেকে codeblocks এর  ভার্সন গুলো ব্যবহার করে আসছেন । কিন্তু এগুলোর সব ভার্সন Windows7  and Windows 8 এ ঠিক মত কাজ করে না  এবং কাজ করলেও মাঝে মাঝে ঝামেলা করে । যদি ও অনেক এ মনে করে থাকেন Microsoft Visual Studio 6 ব্যবহার করা অনেক জটিল এবং SETUP দেওয়া অনেক ঝামেলা তারপর ও এটা তে  কিছু কাজ খুব সহজ এ করা  যায় যেমন : ডীবাগ ।তাই  প্রোগ্রামিং এর জন্য নিয়ে নিন  Microsoft Visual Studio 6
কি ভাবে setup দিবেন তাও ছবি সহ দেওয়া হল :
SIZE : 246 MB 

Installing Visual C++ 6