Showing posts with label OS. Show all posts
Showing posts with label OS. Show all posts

Monday, November 2, 2015

Dual-Boot Windows and Ubuntu 12.04 using WUBI (Easy Way)

যারা তাদের কম্পিউটার এ Ubuntu 12.04 install করতে চাও তাদের জন্য আমার এই পোস্ট । এখানে ubuntu 12.04 এর লিঙ্ক দেওয়া হল  । ফাইল ২টা ডাউনলোড করে এক folder এ রাখতে হবে then .wubi.exe ফাইল টি run করতে হবে ।তার পর কি করতে হবে তা এই youtube  লিঙ্ক এই বলা আছে । এখানে (ইউটিউব video) ubuntu site থেকে file টি নামান হয়েছে কিন্তু এখন এই version টি  নেট এ না পাওয়া যেতে পারে তাই আমি total ফাইল টা দিয়ে দিলাম ।আমার ফাইল গুলো নামালে নতুন করে আর উবুন্তু র ওয়েবসাইট থেকে নামাতে হবে না ।


Ubuntu 12.04 download file
WUBI download file



Saturday, September 19, 2015

Modern Operating Systems 4th Edition ,ANDREW S.TANENBAUM

                                                          Download Link 4th edition

                                                             Download 2nd Edition


Operating System Concepts 9thEdition , Abraham Silberschatz, Peter Baer Galvin & Greg Gagne





                                                               Only Book Download Link pdf

                                                        Book and Exercise File and Solution pdf




Monday, September 14, 2015

উইন্ডোজ ৭-এর সাথে উইন্ডোজ ৮ ব্যবহার করুন

কিছুদিন আগে বাজারে এসেছে Windows 8. ইতোমধ্যে আমরা অনেকেই হয়তো Windows 8 ব্যবহার করা শুরু করে দিয়েছি।তারপরও Windows 7 ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।তখন  Windows 8 ফেলে দিয়ে আবার Windows 7 ইনস্টল দিতে হয়।তাই, এই ধরনের সমস্যা থেকে বাঁচতে আপনি উইন্ডোজ ৭এর ড্রাইভকে স্রিঙ্ক (Shrink) করে তার উপর উইন্ডোজ ৮ ইন্সটল করতে পারেন অর্থাৎ আরেকটি পার্টিশন বাড়িয়ে উইন্ডোজ ৮ ইন্সটল করা। এতে আপনার উইন্ডোজ ৭ যেমন অক্ষত থাকবে ঠিক তেমনি উইন্ডোজ ৮ ও নিশ্চিন্তে ব্যাবহার করতে পারবেন।

যা যা প্রয়োজনঃ
*১GHz প্রসেসর
*১জিবি র‌্যাম
*২০জিবি হার্ডডিস্ক।
প্রথম ধাপঃ Windows 8 এর জন্য নতুন ভলিউম/ড্রাইভ তৈরি করা
Start menu>right-click Computer> Manage> Disk Management
কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নিচের চিত্রের মত একটি উইন্ডো হাজির হবে।

এরপর Right Click Hard Disk>Shrink Volume

কিছুক্ষণের মধ্যে নিচের চিত্রের মত Shrink Volume একটি উইন্ডো হাজির হবে। এখানে Enter the amount of space to shrink in MB এর পরিমাণ ২০৪৮০MB বা ২০GB এর বেশি হতে হবে।
এরপর shrink এ ক্লিক করুন। এখন দেখুন একটি ড্রাইভ unallocated দেখাচ্ছে।
unallocated এর উপর Right Click >New Simple Volume>next>next
এরপর নিচের চিত্রের মত আসবে।
এখানে New Volume পরিবর্তন করে Windows 8 দিতে পারেন। এরপর next>Finish এ ক্লিক করে ফরম্যাট করুন।ব্যস হয়ে গেল Windows 8 সেটআপ দেওয়ার জন্য নতুন ড্রাইভ।
দ্বিতীয় ধাপঃ
এবার কম্পিউটারে Windows 8 এর DVD প্রবেশ করান এবং Computer Restart দিন। এরপর DVD বুট করান এবং  নতুন Windows 8 ড্রাইভে Windows 8 ইনস্টল দিন।  
                                        
কিবোর্ডের যেকোন কী চাপুন।
Language এর পর “Install Now” ক্লিক করুন।
                                        
প্রোডাক্ট কী দিয়ে Next চাপুন। 
“Custom” চাপুন।
                                      
আপনার নতুন পার্টিশন করা ড্রাইভটিকে (Windows 8 ) সিলেক্ট করুন। তারপর, NEXT করে বাকি প্রসেসগুলো সম্পূর্ণ করুন।
                                     
ব্যাস হয়ে গেল, আপনি ইচ্ছে করলে উইন্ডোজ ৮ অথবা, উইন্ডোজ ৭ যেকোন একটিকে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম করতে পারবেন।
ইনস্টলেশন শেষ হলে কম্পিউটার রিস্টার্ট নিবে এবং নিচের চিত্র দেখতে পাবেন।
                        

উইন্ডোসের চেহারা – শুরু থেকে আজ

১৯৮৫ সালে মাইক্রোসফট, Windows 1.0 রিলিজের মাধ্যমে প্রথম তার গ্রফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমের সূচনা করে। সেই থেকে আজ ২০০৮ সালে এসে আমরা পেলাম ভিস্তা। দীর্ঘ ২৩ বছরে মাইক্রোসফট উইন্ডোসের অসংখ্য ভার্সন রিলিজ করেছে। কেমন ছিল পুরনো দিনের উইন্ডোসের চেহারা গুলো?
ওয়েব ঘেঁটে এই পর্যন্ত রিলিজ পাওয়া সব গুলো উইন্ডোসের চেহারা (GUI) গুলোর একটা সমগ্র তৈরি করে ফেললাম।যারা উইন্ডোসের জন্ম লগ্ন থেকে উইন্ডোস ব্যবহার করতে করতে বুড়ো হয়ে গেছেন তাদের হয়ত পুরনো সেই উইন্ডোসিও স্মৃতির কথা মনে পড়ে যেতে পারে। আর যারা উইন্ডোসের অধুনা ব্যবহারকারি, তারা বুঝতে পারবেন কোন সময় গ্রাফিক্যাল কথাটা কীভাবে ব্যবহার করা হত।
আমি এখানে উইন্ডোসের Major Version গুলোর সমগ্র তৈরি করেছি। Sub Version গুলো যুক্ত করিনি এবং Major Viersion গুলোর প্রথম প্রকাশ পাওয়া তারিখটি উল্লেখ করেছি।

Windows এর সময়রেখা 1985-2007

  • ২০ নভেম্বর, ১৯৮৫ - Windows 1.0
  • ৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ - Windows 2.0
  • ২২ মে, ১৯৯০ - Windows 3.0
  • ৬ এপ্রিল, ১৯৯২ - Windows 3.1
  • ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৪ - Windows NT 3.5
  • ২৪ আগস্ট, ১৯৯৫ - Windows 95
  • ২৪ আগস্ট, ১৯৯৬ - Windows NT 4.0
  • ২৫ জুন, ১৯৯৮ - Windows 98
  • ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ - Windows 2000
  • ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০০০ - Windows ME
  • ২৫ অক্টোবর, ২০০১ - Windows XP
  • ২৫ এপ্রিল, ২০০৩ - Windows Server 2003
  • ৩০ নভেম্বর, ২০০৬ / - Windows Vista
    ৩০ জানুয়ারি, ২০০৭
Windows 1.0
প্রথম প্রকাশ: ২০ নভেম্বর, ১৯৮৫
win101.png


Windows 2.0
প্রথম প্রকাশ: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৭
win101.png


Windows 3.0
প্রথম প্রকাশ: ২২ মে, ১৯৯০
win30.png


Windows 3.1
প্রথম প্রকাশ: ৬ এপ্রিল, ১৯৯২
win31.png


Windows NT 3.5
প্রথম প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৪
winnt351.png

Windows 95
প্রথম প্রকাশ: ২৪ আগস্ট, ১৯৯৫
win95osr2.png


Windows NT 4.0
প্রথম প্রকাশ: ২৪ আগস্ট, ১৯৯৬
winnt40serv.png


Windows 98
প্রথম প্রকাশ: ২৫ জুন, ১৯৯৮
win98.png


Windows 2000
প্রথম প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
win2000.png


Windows ME
প্রথম প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০০০
winme.png


Windows XP
প্রথম প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর, ২০০১
winxppro.jpg
Windows Server 2003
প্রথম প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল, ২০০৩
win2003.png


Windows Vista
প্রথম প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর, ২০০৬ ( বিজনেস ) | ৩০ জানুয়ারি, ২০০৭ ( হোম )
vista.jpg


Windows 8.1 x64 dotnet 3.5 Offline —64bit ব্যবহারকারী জন্য

আসসালামু আলাইকুম। আজ আমি দেখাব কিভাবে Windows 8.1 এর 64bit এ dotnet 3.5 অফলাইন ভার্সন ইন্সটল দিবেন। যাহোক, প্রথমেই কিছু কথা বলে নেওয়া ভালো, Dotnet 3.5 ইন্সটল দিলে আপনি Previous Windows এ চালিত সফটওয়্যার বা গেমস বলেন যাই বলেন, আপনি আরামে ব্যবহার করতে পারবেন।
অনেকেই ইতোমধ্যে Windows 8.1 ইন্সটল করেছেন। অনেকের মুখে শুনেছি এবার Microsoft তাদের নতুন OS  Windows 8 এর থেকেও উন্নত করেছে। তবে Dotnet তো ব্যবহারকারীদের নিজ দায়িত্ব নিয়ে ইন্সটল করে নিতে হচ্ছে। যাহোক, সোজাসুজি এখন চলে যাব কাজে।

Step 1

At first এটা Download করে নিন।

Step 2

এবার আপনার C ড্রাইভ বা যে ড্রাইভে Windows 8.1 ইন্সটল করেছেন, তার বাইরে RAR ফাইলটি পেস্ট করে দিন। এরপর এক্সট্রাক্ট করে নিন। বুঝতে না পারলে ছবিটি দেখে নিন।
2013-12-01_063734

Step 3
এবার ছবির মত File এ ক্লিক করে Open command prompt > Open command prompt as administrator এ ক্লিক করুন।
2013-12-01_064210

এরকম আসবে আশা করি।

2013-12-01_064618

এবার চটপট   dism.exe /online /enable-feature /featurename:NetFX3 /Source:c:\net /LimitAccess    কমান্ডে লিখে ফেলুন। লক্ষণীয় যে, কমান্ড এ কপি-পেস্ট চলে না। তাই লিখে নিতে হবে হাতে হাতে। লিখে এন্টার দিন। ভুল লিখলে ইন্সটল কিন্তু হবে না ! লেখা শেষে এন্টার চাপুন।
2013-12-01_065858


আশা করি ছবির ন্যায় আপনি সাকসেসফুল হবেন।

*******************



32bit ইন্সটল করে থাকলে আপনি আপনার ডিস্ক এর মধ্যে sources\sxs ডিরেক্টরিতে পেয়ে যাবেন। উপরের নিয়মে আপনিও করতে পারেন .net 3.5 ইন্সটল। তবে আমি যে লিঙ্ক শেয়ার করেছি, তাতে 64bit ব্যবহারকারীরাই শুধু নামিয়ে ইন্সটল করতে পারবেন।

আসুন জানি মোবাইল এর অপারেটিং সিস্টেম এর ইতিহাস

অপারেটিং সিস্টেম এখন আর শুধু কম্পিউটার এর মাঝে সীমাবদ্ধ নয়।  সম্প্রতি আবার অপারেটিং সিস্টেম মোবাইল সহ অন্যান্য মাধ্যমে ও ব্যাবহৃত হচ্ছে, যা আমরা স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, পিডিএ বা অন্যান্য নামে চিনি। এ অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে যেমন পিসি চালানোর একটা ছায়া আছে, আবার এতে নতুন নতুন ফীচার যেমন স্পর্শকাতর পর্দা, সেলুলার, ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই, জিপিএস, ভয়েস রিকগনিশন, ইনফ্রারেড, ভয়েস রেকর্ডার, গান শোনা সহ আরো অনেক কিছু। আমাদের জীবন এখন বহুলাংশে অচল এসব যন্ত্র ছারা।
আমরা তার কতটুকু জানি? না জানলে আসুন কিছু জেনে নেই মোবাইল এর অপারেটিং সিস্টেম এর ইতিহাস।
মোবাইল অপরেটিং সিস্টেম এর ইতিহাস
History of mobile operating system
1979-1992 সালে মোবাইল ফোনে প্রথম এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় অপারেশন নিয়ন্ত্রণের জন্য।
1994 সালে দুনিয়ার প্রথম স্মার্টফোন, আইবিএম সাইমন দারা চালিত, একটি স্পর্শকাতর পর্দাযুক্ত, ইমেইল এবং PDA ও বৈশিষ্ট্য যুক্ত।
1996 সালে পাম পাইলট 1000 পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট পরিচয় করিয়ে দেয় পাম অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে এবং ওই সালেই অপারেটিং সিস্টেমটি চালু করা হয়।
1996 সালে প্রথম মোবাইল এ উইন্ডোজ সিই পিসি ডিভাইস চালু করা হয়।
1999 সালে নকিয়া এস৪০ অপারেটিং সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে নকিয়া ৭১১০ বরাবর চালু হয়।
2000 সালে সিম্বিয়ান এরিকসন আর৩৮০ প্রবর্তনের সঙ্গে একটি স্মার্টফোন প্রথম আধুনিক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হয়ে ওঠে।
2001 সালে কাইয়োসেরা ৬০৩৫, পাম অপারেটিং সিস্টেম এর প্রথম স্মার্টফোনের হিসেবে বের হয়।
2002 সালে মাইক্রোসফট এর প্রথম উইন্ডোজ সিই (পকেট পিসি) স্মার্টফোনের চালু করা হয়।
২০০২ সালে ব্ল্যাকবেরি তাদের প্রথম স্মার্টফোন বের করে।
2005 সালে নোকিয়া প্রথম ইন্টারনেট ট্যাবলেটে এন৭৭০ নেভিগেশন মাইমো অপারেটিং সিস্টেম প্রবর্তন করে।
২০০৭ সালে আইওএস এর সঙ্গে অ্যাপল আইফোন একটি মোবাইল ফোন, আইফোন এবং ইন্টারনেট কমিউনিকেটর হিসেবে বাজারে আসে। ওপেন হ্যান্ডসেট এলায়েন্স (ওএইচএ) গুগল, এইচটিসি, সোনি, ডেল, ইন্টেল, মটোরোলা, স্যামসাং, এলজি, ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান বাজারে আনে।
২০০৮ সালে প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন হিসেবে এইচটিসি ড্রিম (টি মোবাইল জি১) মুক্তি পায় যার ভার্সন অ্যানড্রইড ১.০
2009 পাম, পাম প্রাক এর সঙ্গে ওয়েবওএস প্রবর্তন করে. যা ২০১২ এর পরে জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামার দরুন বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্যামসাং এস৮৫০০ প্রবর্তনের সঙ্গে এর বাডা অপারেটিং সিস্টেম ঘোষণা দেয়।
২০১০ সালে উইন্ডোজ ফোন অপারেটিং সিস্টেমের ফোন মুক্তি দেয়া হয় কিন্তু পূর্ববর্তী উইন্ডোজ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
২০১১ সালে মিগো যেটা প্রথম মোবাইল লিনাক্স মাইমো এবং মোবলিন মিশ্রণে, নোকিয়ার সহযোগীতায় নকিয়া এন৯, ইন্টেল এবং লিনাক্স ফাউন্ডেশন সঙ্গে চালু হয়। সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে স্যামসাং, ইন্টেল এবং লিনাক্স ফাউন্ডেশন তাদের প্রচেষ্টায় ২০১১ এবং ২০১২ এর মধ্যে টাইজেন এ পরিবর্তন করবে বাডা এর মিগো থেকে। অক্টোবর ২০১১ সালে এমইআর প্রকল্প মিগো কোডবেস থেকে প্রাপ্ত একটি অতি-পোর্টেবল লিনাক্স + + সঙ্গে পণ্য নির্মাণের জন্য এইচটিএমএল/ওএমএল/জাভাস্ক্রিপ্ট কোর প্রায় কেন্দ্রিক, ঘোষণা করা হয়।
২০১২ সালে মজিলা ঘোষণা করে যে পূর্বে যেটা “বুট টু গেকো” নামে পরিচিত ছিলো এখন থেকে তা ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম নামে চলবে এবং বোর্ডে কয়েকটি হ্যান্ডসেট ওইএম দের ছিল।
২০১৩ সালে ক্যাননিকাল উবুন্টু টাচ এর ঘোষনা করে যেটা লিনাক্স এ একটি সংস্করণ। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড এর ড্রাইভার ব্যবহার করে, অ্যানড্রইড লিনাক্স্য এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়, কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড জাভার মত কোড ব্যবহার করে না। ব্ল্যাকবেরি স্মার্টফোনএবং ট্যাবলেট জন্য তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম ব্ল্যাকবেরি ১০ মুক্তি দেয়।
প্রচলিত সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্মগুলো

অ্যানড্রইড

অ্যানড্রইড আসে গুগল ইনক থেকে, এটা ফ্রি এবং ওপেন সোর্স। অ্যানড্রইড এর রিলিজ পূর্বে ২.০ (১.০, ১.৫, ১.৬) মোবাইল ফোনে একচেটিয়াভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। অধিকাংশ অ্যানড্রইড ফোন এবং কিছু অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট, এখন একটি ২.এক্স রিলিজ ব্যবহার করা হয়। অ্যানড্রইড ৩.০ একটি ট্যাবলেট ভিত্তিক রিলিজ এবং আনুষ্ঠানিকভাবে মোবাইল ফোনে চলে না. বর্তমান অ্যানড্রইড সংস্করণ ৪.৩। cupcake (1.5), হিমায়িত দই ("Froyo") (2.2), আদা ব্রেড (2.3), মউচাক (3.0), আইস ক্রিম স্যান্ডউইচ (4.0), Jelly Bean (4.1) এবং মত মিষ্টি বা ডেজার্ট আইটেম পরে nicknamed হয় KitKat (4.4). অধিকাংশ প্রধান মোবাইল সেবা প্রদানকারী একটি Android ডিভাইস বহন. HTC ড্রিম চালু হওয়ার পর থেকে, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বহন ডিভাইসের সংখ্যা মধ্যে একটি বিস্ফোরণ হয়েছে. 2010 দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক 2009 Q2 থেকে, অ্যান্ড্রয়েড এর বিশ্বব্যাপী মার্কেট শেয়ার 17.2% থেকে 1.8% থেকে 850% বেড়ে যায়. নভেম্বর 15, 2011, অ্যান্ড্রয়েড বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন বাজারে শেয়ার 52.5% পৌঁছে গেছে।


ব্ল্যাকবেরি
Blackberry
ব্ল্যাকবেরি 10 ব্ল্যাকবেরি. এটা বদ্ধ সোর্স ও মালিকানাধীন রয়েছে। ব্ল্যাকবেরি 10 (পূর্বে ব্ল্যাকবেরি BBX) ব্ল্যাকবেরি স্মার্টফোনের এবং ট্যাবলেট জন্য পরবর্তী প্রজন্মের প্ল্যাটফর্মের জন্য তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে এর জনপ্রিয়তা পড়তির দিকে।

আইওস
Ios
iOS হল অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড হতে প্রাপ্ত ও এটি বদ্ধ সোর্স ও মালিকানাধীন ওপেন সোর্স নির্মিত। অ্যাপল আইফোন, আইপড টাচ, রহমান এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের অ্যাপেল টিভি সব নেটিভ তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই 11, 2008 সামঞ্জস্যপূর্ণ iOS 2.0 মুক্তির পর্যন্ত সমর্থিত নয় ম্যাক OS X-থেকে প্রাপ্ত করা হয়, যা সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে iOS নামক একটি অপারেটিং সিস্টেম নাম এ পরিচিত। ব্যবহার. তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার অনুমোদিত পদ্ধতি হল "jailbreaking", এবং এই পদ্ধতি এখনও পাওয়া যায়। বর্তমানে সব iOS ডিভাইস অ্যাপল দ্বারা তৈরি।

উইন্ডোজ ফোন
Windows Phone
উইন্ডোজ ফোন মাইক্রোসফট এর তৈরি। এটা বদ্ধ সোর্স এবং মালিকানা রয়েছে। ফেব্রুয়ারি 15, 2010 তারিখে, মাইক্রোসফট তার পরবর্তী প্রজন্মের মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, উইন্ডোজ ফোন উন্মোচন করে। নতুন মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম মাইক্রোসফট এর "মেট্রো ডিজাইন ভাষা" দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি সম্পূর্ণ নতুন ওভার উত্তোলিত UI 'তে রয়েছে। যেমন OneDrive এবং অফিস, সঙ্গীত, ভিডিও, Xbox লাইভ গেম এবং বিং হিসাবে মাইক্রোসফট সেবা সম্পূর্ণ ইন্টিগ্রেশন অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু যেমন ফেসবুক এবং গুগল অ্যাকাউন্ট হিসাবে অনেক অন্যান্য অ মাইক্রোসফট পরিষেবার সাথে সংহত করে. উইন্ডোজ ফোন ডিভাইস এইচটিসি বরাবর প্রাথমিকভাবে নকিয়া দ্বারা তৈরি করা হয়, স্যামসাং, Huawei এবং অন্যান্য OEMs.


অন্যান্য সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম
ফায়ারফক্স ওএস
Firefox os
Sailfish ওএস্
Sailfish os



সিম্বিয়ান
Symbian


Tizen
Tizen


উবুন্টু টাচ অপারেটিং সিস্টেম
Ubuntu touch operating system


ঐতিহাসিক সফটওয়্যার প্লাটফর্ম


limo 4
Limo 4


Maemo
Maemo


Meego
Meego
পাম ওএস
Palm os



webOS
Web os





অ্যানড্রইড

Android os



উইন্ডোজ মোবাইল

Windows Phone




 পূর্বে প্রকাশিত




অ্যান্ড্রয়েডের সম্পূর্ণ ইতিহাস। সাথে অ্যান্ড্রয়েডের সকল ভার্সনের গল্প।

অ্যান্ড্রয়েড বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। এখন পর্যন্ত অ্যান্ড্রয়েডের সর্বমোট ১৯ টা ভার্সন আসছে।
সর্বপ্রথম অ্যান্ড্রয়েড বেটা পরীক্ষামূলকভাবে আসে নভেম্বর ২০০৭। তবে প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ১.০ কমারশিয়ালি রিলিজ হয় সেপ্টেম্বর ২০০৮। অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ হয় গুগলের দ্বারা। OHA (Open Handset Alliance) এবং MIT ও এটাতে অবদান রাখে।


অ্যান্ড্রয়েড লেখা হয় C(Core), C++ এবং Java (UI) দ্বারা। অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপস থাকে গুগল প্লে স্টোরে।
গুগল প্লে স্টোরের তথ্য মতে July 2013 পর্যন্ত ১ মিলিয়ন অ্যাপস পাবলিশড হয়েছে এবং ৫০ বিলিয়ন বার ডাউনলোড হয়েছে।
আসুন এবার দেখি অ্যান্ড্রয়েডের কিছু ভার্সনের গল্পঃ
  • Android 1.0-Angel Cake: ২৩ শে সেপ্টেম্বর ২০০৮ এটা রিলিজ হয় এবং এটা গুগলের মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম আলোড়ন নিয়ে আসে।

  • Android 1.1-Battenberg: ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০০৯ এটা রিলিজ হয়। এটার পারফরমেন্স আগের তুলনায় অনেক ভালো ছিল।
  • Android 1.5-CupCake: এপ্রিল ২০০৯ এটা রিলিজ হয় এবং এটার মাধ্যমে ভিডিও, ছবি, ব্লুটুথ, কীবোর্ড ইত্যাদি প্রয়োজনীয় সেবার আওতায় আসে।

  • Andoid 1.6-Donut: ১৫ ই সেপ্টেম্বর ২০০৯ এটা রিলিজ হয়। এই ভার্সনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনে Google Maps।
  • Android 2.0/2.1-Éclair: ২৬ অক্টবার ২০০৯ এটা রিলিজ হয়। UI এবং ব্রাউজার যুক্ত হয়। ক্যামেরা, ফ্লাস ইত্যাদি আপডেট করা হয়।
  • Android 2.2 Foryo: ২০ ই মে ২০১০ এটা রিলিজ হয়। USB, Adobe Flash, WiFi-Hotspot ইত্যাদি সাপোর্টিভ হয় এই ভার্সনে।

  • Android 2.3 Gingerbread: ৬ই ডিসেম্বর ২০১০ এটা রিলিজ হয়। এই ভার্সনে অ্যান্ড্রয়েড অনেক জনপ্রিয়তা পায়। Virtual & QWERTY  রিডিজাইনড করা হয়।

  • Android 3.0/3.1/3.2-Honey Comb: ২ই ফেব্রুয়ারি ২০১১ এটা রিলিজ হয় এবং এটা Tablet এর জন্য উপযুক্ত ভার্সনে আসে।
  • Androd 4.0/4.0.2-Ice Cream Sandwich: ৩১ ই অক্টবর ২০১১  এটা রিলিজ হয়। Flash Player, WiFi, Mobile Data Activity ইত্যাদি বিভিন্ন পরিবর্তন আসে এই ভার্সনে।
  • Android 4.4.1/4.4.2-Ice Cream Sandwish: ৫/৯ ডিসেম্বর ২০১১ এটা রিলিজ হয়। ক্রোম ব্রাউজারBluetooth message access profile সহ আরও অনেক নতুন ফিচার আসে এই ভার্সনে।   
 
  • Android  4.2 -Jelly Bean:  ১৩  নভেম্বর ২০১৩ এটা রিলিজ হয়। Lock Screen, Group messaging, Bluetooth audio video Remote control profile ইত্যাদি নতুনভাবে যোগ হয়।

  • Android 4.4 KitKat: এটা ৩১ অক্টোবর ২০১৩ রিলিজ হয়। এটা Android এর সর্বশেষ ভার্সন। এই ভার্সন অনেক নতুন ফিচার সমৃদ্ধ। অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ এ ইন্টারফেসে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে, তবে ইউজার ইন্টারফেসের চাইতে পারফরমেন্সকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে গুগল। অ্যান্ড্রয়েড বিভাগের প্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, অপারেটিং সিস্টেমটির অ্যাপ গুলোকে আরো উন্নত করা হয়েছে যাতে তারা খুব কম রিসোর্স ব্যবহার করে কাজ করতে পারে। উদাহারণ স্বরুপ তিনি বলেন গুগলের নিজস্ব ওয়েব ব্রাউজার ক্রোমের কথা যেটি এখন ১৬% কম রিসোর্স ব্যবহার করে কাজ করতে পারবে। এছাড়া অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট সমগ্র অপারেটিং সিস্টেমকে করেছে আরো হালকা তাই পুরোনো যেসব ডিভাইসে কম র্যাম, বিশেষ করে র্যাম ৫১২ মেগাবাইট, তাদের জন্য সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেমটির দ্বার খুলে গেল।

অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ এ ব্যবহৃত হয়েছে ক্রোমিয়াম ইঞ্জিন, তাই থার্ড পার্টি অ্যাপ গুলো এখন আরো দ্রূততার সাথে তাদের কাজ করতে পারবে। এজন্য নভেম্বরের মাঝামাঝি গুগল নতুন API রিলিজ করছে, প্রথম দিকে নির্দিষ্ট সংখ্যক অ্যাপে এই সুবিধা পাওয়া গেলেও গুগল দ্রূতই এটি ছড়িয়ে দেয়ার আশা করছে।
অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কিটক্যাটের সবচেয়ে চোখে পড়ার মত পরিবর্তন স্ট্যাটাস বার। স্ট্যাটাস বারটি এখন পুরোপুরি স্বচ্ছ যা অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কে করেছে আরো আকর্ষণীয়। লঞ্চারকে আরো সিমপ্লিফাইড করার জন্য উইজেট ট্যাবটি বাদ দেয়া হয়েছে, তবে এখনো হোমস্ক্রিনে লংপ্রেসের মাধ্যমে উইজেট অ্যাড করা সম্ভব। এছাড়া IOS 7 এর মত থার্ডপার্টি অ্যাপগুলো এখন নেভিগেশনবার ও স্ট্যাটাসবারের ব্যাকগ্রাউন্ডটিকেও ব্যবহার করতে পারবে।
হ্যাংআউটস অ্যাপটি এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় আপডেট গ্রহণ করেছে। অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ এ এস.এম.এস সেন্ড ও রিসিভ করার জন্য মেসেজ অ্যাপটিকে রিপ্লেস করেছে নতুন হ্যাংআউট অ্যাপ। ফলে এখন থেকে হ্যাংআউটস থেকেই এস.এম.এস আদান প্রদান করা যাবে।

অ্যান্ড্রয়েড এর রিলিজের পর থেকে ডায়ালারটি তেমন কোন উন্নয়নের ছোয়া পায়নি। তবে এবার গুগল এটির দিকে নজর দিয়েছে। আপনার কোন স্থানীয় দোকানের ফোন নাম্বার দরকার? ডায়ালের এ যেয়ে দোকানের নামটি লিখুন, নাম্বারটি খুজে বের করার কাজটি করবে গুগল।
কোন অপরিচিত কল এসেছে? গুগল স্বংক্রীয় ভাবে সার্চ করে ওই নাম্বারটির মালিকের তথ্য আপনার সামনে তুলে ধরবে।
কন্ট্যাক্ট ও এখন অনেক স্মার্ট। আপনি যাদের সাথে বেশি যোগাযোগ করেন তাদের কে উপরের দিকে রেখে ক্রমান্বয়ে নিজে থেকেই কন্ট্যাক্ট লিস্ট আপডেট করে নেবে গুগল।
সোর্সঃ উইকিপিডিয়া, Android ওয়েবসাইট, কিটক্যাঁট তথ্য টা আশরাফ ভাইয়ের এই টিউন থেকে।

পূর্বে প্রকাশিত